রসায়ন প্রথম পত্র
অধ্যায়-২: গুণগত রসায়ন
জ্ঞানমূলক প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন-১. ‘ডান্টনের পামাণুবাদ’ তত্বতি কী?
উত্তর:মৌলিক পদার্থ মাত্রই অবিভাজ্য পরমাণুর সমষ্টি নিয়ে গঠিত।
প্রশ্ন-২.ডেমোক্রিটাস কর্তৃত প্রথম প্রস্তাবটি কি ছিল?
উত্তর: সকল বস্তু অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরমাণু নামক অবিভাজ্য কণার সমন্বয়ে গঠিত।
প্রশ্ন-৩. ডেমোক্রিটাস কে ছিলেন?
উত্তর: একজন গ্রীক দার্শনিক।
প্রশ্ন-৪. বর্ণালী কী?
উত্তর: পরমাণুর ইলেকট্রন শক্তি শোষণ বা বিকিরণের ফলে এক শক্তিস্তর থেকে অন্য শক্তিস্তরে গমন করে, এর ফলে বর্ণালী সৃষ্টি হয়।
প্রশ্ন-৫.হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা সূত্রটি কী?
উত্তর: হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা সূত্রটি হল ইলেট্রনের অবস্থান এবং গতিবেগ একত্রে কখনো সঠিকভাবে নির্ণয় করা সম্ভব নয়।
প্রশ্ন-৬. কোয়ান্টাম সংখ্যা কাকে বলে?
উত্তর: পরমাণু ইলেকট্রনের কক্ষপথ ও শক্তিস্তরের আকার, আকৃতি, ত্রিমাত্রিক বিন্যাস ও ঘূর্ণনের দিক নির্দেশক রাশিসমূহকে কোয়ান্টাম সংখ্যাকে চৌম্বক কোযান্টাম সংখ্যা বলে।
প্রশ্ন-৭. অরবিটাল কাকে বলে?
পরমাণুর যে অঞ্চলে ইলেকট্রন প্রাপ্তির সম্ভাবনা ৯০-৯৫%, ইলেকট্রন মেঘের সে অঞ্চলকে অরবিটাল বলে।
প্রশ্ন-৮. উপশক্তিস্তর কাকে বলে?
উত্তর: প্রধান শক্তিস্তরের অন্তুর্ভুক্ত বৃত্তাকারা বা উপবৃত্তাকার শক্তিস্তরগুলোকে উপশিক্তিস্তর বলে।
প্রশ্ন-৯. আউফবাউ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: আউফবাউ জার্মান শব্দটির অর্থ উপর দিকে তৈরি করা।
প্রশ্ন-১০. হুন্ডের নিয়মটি কী?
উত্তর: একই শক্তি সম্পন্ন বিভিন্ন অরবিটালে উলেক্ট্রনগুলো এমভাবে প্রবেশ করবে যেন তারা সর্বাধিক পরিমাণে অযুগ্ম অবস্থায় থাকতে পারে। এই অযুগ্ম ইলেকট্রনগুলোর স্পিন একই মুখী হবে।
প্রশ্ন-১১. অবিচ্ছিন্ন বর্ণালীতে দৃশ্যমান অঞ্চলের সব কম্পাঙ্কের অংশ বিদ্যমান থাকে তাকে অবিচ্ছিন্ন বর্ণালী বলে।